চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ক্র্যাশ কর্মসূচির উদ্বোধন | ইবিডি নিউজ

চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ক্র্যাশ কর্মসূচি

চিকুনগুনিয়া ডেঙ্গু জরের মতো চিকুনগুনিয়া রোগে আক্রান্ত হলে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয় না। প্যারাসিট্যামল খেলেই সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে এ জ্বর সেরে যায়। বললেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

রোববার বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে মশক নিধন ক্র্যাশ কর্মসূচির উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।

সাঈদ খোকন বলেন, চিকুনগুনিয়া একটি নতুন রোগ। যদিও এটি ডেঙ্গুর জীবানুবাহী এডিস মশা থেকে ছড়ায়। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। একটু সচেতন হলেই এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

মেয়র বলেন, এ পর্যন্ত সারাদেশে চিকুনগুনিয়া রোগে ১৫০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তবে কেউ মারা যায়নি। আমরা জনগণকে সচেতন করার চেষ্টা করছি। এটি প্রতিরোধে সবার সচেতনতায় প্রয়োজন।

খোকন আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে চিকুনগুনিয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটা সেমিনার হবে। সেমিনারের সুপারিশ অনুযায়ী আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। এ রোগ যাতে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য আমরা ক্র্যাশ কর্মসূচির আয়োজন করেছি।

চিকুনগুনিয়া রোগ: চিকুনগুনিয়া রোগের প্রথমদিন থেকেই রোগীর অনেক বেশি তাপমাত্রায় জ্বর ওঠে। প্রায়ই তা একশ চার/পাঁচ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় উঠে যায়। একইসঙ্গে মাথা ব্যথা, শরীর ব্যথা, বিশেষ করে হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা হয়। জ্বর চলে যাবার পর শরীরে লাল র‌্যাশ ওঠে। জ্বর ভালো হলেও রোগটি অনেকদিন ধরে রোগীদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এ রোগের চিকিৎসা: চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ ডেঙ্গু ও জিকার মতোই। তাই চিকিৎসায় অবহেলা করা উচিত নয়। প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খেয়ে জ্বর নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে। প্রচুর পানি, ফলের রস ও সরবত খেতে হবে। তা না হলে শরীর পানিশূন্য হয়ে যাবে।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রের গবেষণায় বলা হয়, ১৯৫২ সালে প্রথম তানজানিয়ায় রোগটি শনাক্ত হয়। তবে এখন বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে রোগটি দেখা যায়।