সফলতার গল্প | ইবিডি নিউজ

সফলতার গল্প

উদ্যোক্তা ক্লাবের শীতবস্ত্র বিতরণ

উদ্যোক্তা ক্লাবের শীতবস্ত্র বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ শে ডিসেম্বর চট্টগ্রামস্থ উদ্যোক্তাদের সংগঠন উদ্যোক্তা ক্লাব নগরীর সিতাকুণ্ডস্থ ছিন্নমূল অসহায় গরীব মানুষের মাঝে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ করে । সকাল ১০টায় কৈবল্যধাম আকবরশাহ্ থানা এলাকা থেকে পায়ে হেটে উদ্যোক্তা ক্লাবের কর্মী বন্ধুরা ছিন্নমূল এলাকায় পৌছে অসহায় ও গরীব মানুষ গুলোকে খুজে বের করে প্রায় ২০০ অসহায় পরিবারের মাঝে কম্বল ও শীত বস্ত্র বিতরণ করে । এসময় অনেক হতদরিদ্র মানুষের চোখের আর মুখে হাসিতে ভরে উঠে পুরো এলাকা । হত দরিদ্র এই মানুষ গুলো যারা তীব্র শীতে কষ্ট পাচ্ছে একটু গরম কাপড় পেতে যেন ঈদের আনন্দে মেতে উঠেছে সবাই । এসময় আসহায় ছেলেহারা নদীভাঙন কবলিত রাসেদা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমরা ঠিকমত খাইতে পারি না , এই শীতে পরার মত ভালো কোন কাপড়ও আমাদের নাই । আপনার আমাদের পাশে দাড়ায়ছেন তাই আল্লাহ আপনাদের মঙ্গল করবো । আরেক বৃদ্ধ জরিনা খাতুন বলেন, আপনারা আমারে কম্বল দিয়ে বাচায়ছেন আল্লাহ
গরীব-অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে উদ্যোগতা ক্লাব

গরীব-অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে উদ্যোগতা ক্লাব

ebdnews
১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বেলা ১১টায় সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারীর ছিন্নমূল মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় । প্রায় এক হাজার মানুষের মাঝে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। বিজয় দিবসে একটি ভালো কাজ শিরোনামে এই শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয় । শীতবস্ত্র বিতরণের সময় ক্লাবের এর সভাপতি মোঃমামুনুর রহমান, সহ-সভাপতি সানাউল হক, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দীন মিনহাজ্ব, যুগ্ন সম্পাদক মেহেদী হাসান, নির্বাহী সদস্য এ.আর চৌধুরী , সাগর, মুরাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উদ্যোগতা ক্লাবের সভাপতি মামুনুর রহমান জানান, আমরা বিজয় দিবসে একটি ভালো কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে অসহায় শীতার্থ মানুষগুলোর পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি । আমরা সবসময় চায় দেশের অসহায় মানুষহুলো যেন কষ্ট না পায় । সহ-সভাপতি সানাউল হক এর মতে, এই ক্লাবের প্রত্যেক সদস্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই শীতকালীন বস্ত্র সংগ্রহ ও বিতরণ করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। কি

সম্মিলিত চেষ্টায় পারে সফলতা

মো:মামুনুর রহমান
মো:মামুনুর রহমান :: চাইলে সবই হয় যদি বন্ধরা থাকে পাশে । হারিয়ে যাওয়া জেসি কে মা-বাবার কোলে ফিরিয়ে দিয়ে সেটিই প্রমাণ করলেন চট্টগ্রামের কয়েকজন তরুণ-তরুণী । গত মে মাসের ৩ তারিখে জান্নাতুল মাওয়া জেসি (৮) স্কুলে গিয়ে আর বাসায় ফেরিনি । স্কুল, পাড়া প্রতিবেশি ও আত্মীয়দের কাছে খোঁজ নিলেও মেয়ের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি । থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন করে জেসির বাবা-মা । কিন্তু এর পর ও কোন খোঁজ মিলেনি তাঁদের মেয়ের । শেষ পর্যন্ত মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায় ছেড়ে দিয়েছে জেসির বাবা-মা । জেসিকে উদ্ধারকারী অক্সিজেন বাসীন্ধা মুন ও তার এবং তাঁর বন্ধুরা জানায়, জেসি নামের মেয়েটি গত তিনদিন আগে বহদ্দারহাটে মুন’র মামার দোকানে গিয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দেয় । বাধ্য হয়ে তার মামা মেয়েটিকে বাসায় নিয়ে আসে ।এর পর মুন’র মা জাকিয় হারুন ঠিক করেন কিভাবে জেসি কে নিজের বাড়িতে রাখা যায় । তিনি তখন রিকশা নিয়ে জেসি’র
একটু চেষ্টা, অতঃপর সফলতা!

একটু চেষ্টা, অতঃপর সফলতা!

মো.মামুনুর রহমান
মো.মামুনুর রহমান ::  তারুণরা পারে না এমন কোন কাজ নেই । হারিয়ে যাওয়া জেসি কে মা-বাবার কোলে ফিরিয়ে দিয়ে সেটিই প্রমাণ করলেন চট্টগ্রামের কয়েকজন তরুণ । গত মে মাসের ৩ তারিখে জান্নাতুল মাওয়া জেসি (৮) স্কুলে গিয়ে আর বাসায় ফেরিনি । স্কুল, পাড়া প্রতিবেশি ও আত্মীয়দের কাছে খোঁজ নিলেও মেয়ের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি । থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন করে জেসির বাবা-মা । কিন্তু এর পর ও কোন খোঁজ মিলেনি তাঁদের মেয়ের । শেষ পর্যন্ত মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায় ছেড়ে দিয়েছে জেসির বাবা-মা । জেসিকে উদ্ধারকারী আকবরশাহ্ থানার বাসীন্ধা পিপুন বড়ুয়া এবং তাঁর বন্ধুরা জানায়, জেসি নামের মেয়েটি গত তিনদিন আগে বহদ্দারহাটে তার এক সহপাঠী মুন’র মামার দোকানে গিয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দেয় । বাধ্য হয়ে তার  মামা মেয়েটিকে বাসায় নিয়ে আসে । মুন পরে বিষয়টি তাঁর বন্ধু পিপুন বড়ুয়াকে জানান । পিপুন বড়ুয়া এবং তাঁর কয়েকজন বন্ধু মেয়েটি
পথ শিশুদের পিকনিক

পথ শিশুদের পিকনিক

ebdnews
মো:মামুনুর রহমান: অসহায় পথশিশুদের স্কুল বর্ণের হাতে খড়ি । সমাজের এসব শিশুরা তেমন কোন সুবিধা পায়না বললেই চলে । গতকাল তাদের স্কুলের বার্র্ষিক পিকনিকের অয়োজন করে স্কুল কতৃপক্ষ । সকাল সকাল কোমলমতি অসহায় শিশুরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে জড় হতে শুরু করে । বৃষ্টির কারণে নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে ৩০মিনিট পরে বাস ছাড়ে । বাস ছাড়ার সাথে সাথে সবাই বাদভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়ে । তাদের আনন্দের সীমা নেই । সবাই বাসের মধ্যে নাচানাচি করে গান করে মাতিয়ে তোলে দেখে মনে হয় স্কুল জীবনে বন্ধুদের সাথে স্কুল পিকনিক যে যাওয়ার আনন্দ । তার থেকে কমই বা কিসের । সকাল ১১টার মধ্যে বাস গিয়ে পৌছে জালালাবাদ মধু বাবার দরবার হলের পাশে । সুশৃঙ্খল ভাবে সবাই বাস থেকে নেমে পড়ে অনুষ্ঠান স্থলেই গিয়ে বাসে পড়ে । কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় খেলাধুলা । স্কুলের শিক্ষক মুমু নাজনিন এবং সাবরিনা পুরো খেলাধুলা পরিচালনা করেন । সকাল গড়িয়ে বিকাল হত